দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরের চন্দ্রপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী আসমা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৫ মে) রাতে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকা থেকে পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা আসমা আক্তারকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদ এলাকার জিয়া সরদারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আসমা আক্তার। বিয়ের পর স্বামী জিয়া সরদার স্ত্রীকে নিয়ে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পরে গত বছর জিয়া সরদার বিদেশ থেকে দেশে ফিরলে তারা চন্দ্রপুর এলাকায় আরেকটি ভাড়া বাসায় ওঠেন।
সম্প্রতি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমা আক্তার লোহার রড দিয়ে জিয়া সরদারের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এরপর মরদেহ গোপন করতে ছুরি দিয়ে দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি অটোরিকশা ভাড়া করে মরদেহের একটি অংশ বস্তায় ভরে আটং এলাকার বৃক্ষতলা এলাকায় ফেলে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরে মরদেহের মাংসের অংশ পালং এলাকার পুরোনো ভাড়া বাসার একটি ফ্রিজে রাখতে গেলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহজনক মনে হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসমা আক্তারকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে নিহতের মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, “জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই নারীকে আটক করা হয়। পরে ড্রাম খুলে মরদেহের অংশ পাওয়া গেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি ঘটনার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক তথ্য দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জে আই